সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

তারা এখন সুস্থ ....







তাসলিমা 
সখিপুর সিডিপি

গুডনেইর্বাস বাংলাদেশ সখিপুর সিডিপির সহায়তায় দীর্ঘ দিনের পেটের ব্যাথা থেকে মুক্ত ১৩ বছর বয়সী তাসলিমা। অনেকদিন ধরে পেটের ব্যাথায় ভুগলেও দারিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত পরিবারের সামর্থ্য ছিল না তাকে চিকিৎসা করানোর। অবস্থা ক্রমশ অবনতির দিকে গেলে তার বাবা-মা তাকে সখিপুর সিডিপিতে নিয়ে আসেন এবং সেখানকার ডাক্তার তাকে অপারেশন করার পরামর্শ দেয়। জিএনবি’র আর্থিক সহায়তায় সফলভাবে তার অপারেশন সম্পন্ন হয় এবং এখন তার দীর্ঘ দিনের পীড়া হতে মুক্ত। তাসলিমার অপারেশনের পাশাপাশি সখিপুর সিডিপি জুলাই মাসে স্পন্সর শিশু আমিনের বাতজ্বরের চিকিৎসা, ডিপজলের ম্যাক্সিলা ফ্রাক্চার এবং বর্ষা নামের আরো একটি মেয়ের ত্বকের রোগের চিকিৎসা খরচ বহন করে।

ইবনুল
মিরপুর সিডিপি


খেলতে যেয়ে মাথায় আঘাত পায় মিরপুর সিডিপির স্পন্সর শিশু ইবনুল। প্রচন্ড বমির পাশাপাশি স্থানীয় হাসপাতালের ডাক্তার তার স্বৃতিশক্তি নষ্ট হওয়া নিয়েও আশংকা প্রকাশ করেন। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে রেফার করা হয়। সেখানে তার চিকিৎসা চলার পাশাপাশি প্রাইভেট হাসপাতালে তাকে বিভিন্ন চেক-আপ করা হয়। সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এবং গুডনেইর্বাস বাংলাদেশ এর আর্থিক সহযোগিতায় ইবনুল এখন সুস্থ।


রজনী
ঘাটাইল সিডিপি

ঘাটাইল প্রকল্পের স্পন্সর শিশু রজনী অনেকদিন ধরে পিত্তথলিতে পাথর নিয়ে ভুগছিলেন । দরিদ্র গামের্ন্টসকর্মী পিতার পক্ষে মেয়েকে অপারেশন করানো ছিলো সাধ্যের বাইরে। শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে তার লেখাপড়াও বন্ধের উপক্রম হয়েছিল। ঘাটাইল প্রকল্প থেকে তাকে রেফার করা হয় স্থানীয় একটি হাসপাতালে এবং সেখানে গুডনেইর্বাস বাংলাদেশ এর আর্থিক সহযোগিতায় সফলতার সাথে তার  অপারেশন সম্পন্ন হয়। সকলের প্রচেষ্টায় রজনী এখন সুস্থ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন