রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

রুমি আক্তার - এর ঘটনা



প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে গুড নেইর্বাস শিশু অধিকার সুরক্ষার জন্য কাজ করে আসছে। গুডনেইর্বাস বিশ্বাস করে ‘শিশুকে অনুকূল পরিবেশে বেড়ে ওঠতে দেওয়া শুধুই দায়িত্ব নয় - এটি একটি অত্যাবশ্যক মানবিক গুণ’। তাই সব শিশুকে সমাজের সকল প্রতিকূলতা থেকে রক্ষা করতে গুড নেইর্বাস বদ্ধ পরিকর। রুমি আক্তারের ঘটনা তার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
রুমি আক্তার - ৬ষ্ঠ শ্রেণী

রুমি আক্তার গুড নেইর্বাস ঠাকুরগাঁও প্রকল্পের একজন স্পন্সর শিশু । সে ষষ্ঠ শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্রী । হঠাৎ ১৫ ই সেপ্টেম্বর-২০১২ তথাকথিত ঘটকের মাধ্যমে বর পক্ষ রুমিকে দেখতে আসে এবং বিয়ের বিষয়ে আলোচনায় বসে । লোকমারফত জানতে পেরে গুড নেইর্বাস ঠাকুরগাঁও প্রকল্পের প্রাক্তন ভি.ডি.সি সদস্য, পেপস্ শিক্ষক/শিক্ষিকা ও অফিসের কর্মকর্তা সেখানে উপস্থিত হয়ে শিশুর মা ও বড় ভাইকে বোঝান যে এত অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়া ঠিক না এবং এটা এক ধরনের অপরাধও বটে। শিশুর বড় ভাই ও মা বিষয়টি বুঝতে পারে এবং বিয়ে বন্ধ করে দেয় । শিশুর মা বলেন,  শিশুর বাবা নেই তাই আমরা চাচ্ছিলাম যে যদি তাড়াতাড়ি বিয়ে দিতে পারি তাহলে আমাদেরই ভাল । কিন্তু এখন বুঝতে পারছি যে, বিয়ে দিলে আমাদেরই ভুল হত ।  যাইহোক আমরা আর  মেয়েকে বিয়ের বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেব না । বর্তমানে গুড নেইর্বাসের সহযোগীতায় মেয়েটি আগের মত লেখাপড়া করছে ও বিদ্যালয়ে যাচ্ছে ।
 


বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

আরিফ খানের গল্প



একটি সুখের হাসি, আমরা পাশে আছি


আরিফ খান গুড নেইবার্স বাংলাদেশ মিরপুর প্রকল্পের একজন স্পন্সর শিশু। আরিফ অনেকদিন ধরে ঠান্ডা জ্বর ও গলার সমস্যায় আক্রান্ত ছিল। ২০১২সালের জুন মাসে তার ক্রমিক টনসিলাইটিস সমস্যা ধরা পরে। আরিফের বাবা থেকে ও না থাকার মত। আরিফ তার মায়ের উপর নির্র্ভরশীল। তার মা বাসাবাড়ীতে কাজ করে কোন রকম ডাল ভাত খেয়ে জীবন যাপন করে। প্রকল্পের ডাক্তার মিস. নার্গিস জাহান শাপলা প্রাথমিক ভাবে তাকে চিকিৎসা দেন কিন্তু এতে তেমন কোন অগ্রগতি হয়নি। টনসিল বড় হয়ে প্রায় গলাবন্ধ হবার উপক্রম হয় এবং সে কোন শক্ত খাবার গিলে খেতে পারত না । তারপর ভাল চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক কান গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানো হয়। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার তাকে ঔষধ দিলেও অবিলম্বে অপারেশন করার পরামর্শ দেন। একদিকে চিকিৎসা অন্যদিকে অভাব । এই সময় গুড নেইর্বাস বাংলাদেশ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে আরিফের পাশে এসে দাড়ায়। ২২ ডিসেম্বর ২০১২ আরিফের টনসিল অপারেশন করা হয়।  
 
(অপারেশেনের পর হাসপাতালে)
বর্তমানে আরিফ সুস্থ্য। ছেলের সুস্থ্যতা মার মুখে হাসি ফুটিয়েছে। আরিফ খানের মা সাহায্যের জন্য গুডনেইর্বাসের কাছে কৃতজ্ঞ। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সুস্থ জীবন কামনা করি।
(বর্তমানে আরিফ খান)