বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০১৩

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা প্রদান

গুডনেইর্বাস ঠাকুর-দিনাজ প্রকল্প


গত জানুয়ারি ২০১২ তারিখে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঠাকুর-দিনাজ প্রকল্প এলাকায় ৪টি বাড়ি সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভূত হয় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গুডনেইর্বাস ঠাকুর-দিনাজ প্রকল্পের স্পন্সর শিশু, সুকুমার অধিকারী তার পরিবার সরাসরিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়িটি ছিল গ্রামের একটু দূরবর্তী এলাকায় এবং বাড়ির আসে পাশে ছিল ক্ষেত, অন্যকোন বসত বাড়িও ছিল না আসে পাশে জলের তেমন কোন উৎসও ছিল না তাই অগ্নিকাণ্ড সবকিছু পুড়ে যায়, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা নিজেদের প্রাণ ছাড়া আর কোন কিছু রক্ষা করতে পারেনি
‘অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত বাড়ির সবকিছু’

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে গিয়ে দেখা যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থা তাদের খাবার ছিল না, শীত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য শীত বস্ত্র বা বাসস্থান কোনটাই ছিল না এই সময় গুডনেইর্বাস ঠাকুর-দিনাজ প্রকল্প এই পরিবারের পাশে এসে দাড়ায় এবং তাদের সার্বিক সহায়তা দেয় সহায়তা প্রদানের মধ্যে ঘর বাড়ি পুনঃ নির্মাণ, বাড়িতে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয়  তৈজসপত্র প্রদান, খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ এবং পোশাক বিতরণ ছিল উল্লেখযোগ্য
‘বর্তমান অবস্থা’
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা পর্যন্ত এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে

মঙ্গলবার, ১২ মার্চ, ২০১৩

জান্নাতুল ফেরদৌস ফারিয়ার গল্প

একটি সুখের হাসি, আমরা পাশে আছি

অপারেশনের পর হাসপাতালে
জান্নাতুল ফেরদৌস (ফারিয়া) গুডনেইর্বাস বাংলাদেশের মিরপুর প্রকল্পের একজন স্পন্সর শিশু ফারিয়া  অনেকদিন ধরে গলার সমস্যায় ভুগছিল প্রথমে তার পিতা-মাতা তাকে হোমিও প্যাথির ডাক্তার দেখান কিন্তু তাতে তেমন কোন ফল পায়নি ফারিয়ার গলার সমস্যা দিন দিন আরো জটিল হয় অবশেষে গুডনেইর্বাস বাংলাদেশের মিরপুর প্রকল্পের নিয়মিত ডাক্তার পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পারেন তার ক্রমিক টনসিল হয়েছে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয় কিন্তু তাতে তেমন কোন উপকার হয় না তারপর মিরপুর প্রকল্পের তত্ত্বাবধানে তাকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানো হয় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বলেন, তার টনসিল দুটো অনেক বড় হয়ে গিয়েছে এবং অপারেশন ছাড়া আর কোন চিকিৎসা নেই ডাক্তার আরও বলেন, বেশি পুরাতন টনসিলের সমস্যায় কম্পলিকেশন হিসেবে বাতজ্বর, কিডনি এবং হৃদপিন্ডে বিশেষ সমস্যা হতে পারে, তাই তাড়াতাড়ি অপারেশন করা দরকার  দারিদ্রতার জন্য মেয়ের ক্ষতি জেনেও ফারিয়ার বাবা-মা এই অপারেশন করাতে পারছিলেন না ফারিয়ার মা বলেন যে, ফারিয়ার বাবা একজন রাজ মিস্ত্রির সাহায্যকারী হিসেবে কাজ করেন এবং দিন এনে দিন খেতেই তার কষ্ট হয়, তাই কোনদিনই  এই অপারেশন করা তাদের পক্ষে সম্বব নয় - এই কথা বলতে বলতে আবেগে তিনি কেঁদে ফেলেন এই অসহায় পরিবারের পাশে এসে দাড়ায় গুডনেইর্বাস বাংলাদেশ এবং মিরপুর হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতালে ফারিয়ার অপারেশনের ব্যবস্থা করে একটি সফল অপারেশনের পর বর্তমানে ফারিয়া সম্পূর্ণ সুস্থ মেয়ের সুস্থতা দরিদ্র বাবা এবং মার মুখে হাসি ফুটিয়েছে আমরা ফারিয়ার সুস্থ জীবন উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি